#কাহিনী চলচ্চিত্রটি এক ধনী পুত্র এবং দরিদ্র কন্যার মধ্যকার প্রেমের গল্প। রাহুল (দেব) তার বোন বর্ষা এর বিয়ের জন্য লন্ডন থেকে ফিরে আসে। তার বাবা (অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়) বিরাট আয়োজনে মেয়ের বিয়ে ব্যবস্থা করেছেন। বিয়ের জন্য বর্ষা তার সেরা বন্ধু পূজা (পায়েল সরকার) কে নিয়ে আসে। এদিকে রাহুল-এর সাথে মোনার বিয়ে আগে থেকেই মুখের কথায় ঠিক করা হয়েছে। তাই মোনার বাবা (রজতাভ দত্ত) ও মোনার মা (কমলিকা বন্দ্যোপাধ্যায়) বিয়েবাড়িতে উপস্থিত হয়। এদিকে দেখতে দেখতে রাহুল ও পূজার মধ্যে নানা খুনসুটি থেকে ভালবাসা হয়ে যায়। তাই পূজার বড়ভাই (তাপস পাল) বিয়েতে কমদামি উপহার নিয়ে এলে মোনার বাবা ও রাহুলের বাবা তাকে অপমান করে। তিনি পূজাকে নিয়ে বাড়ি থেকে চলে যান। রাহুল পূজার কাছে যেতে চায়। তাই সে বাড়ির সম্পত্তি এবং মোনাকে রেখে পূজাদের গ্রামের বাড়িতে যায়। কিন্তু পূজার বড়ভাই কিছুতেই ধনীর ছেলের কাছে নিজের বোনকে তুলে দেবেন না। তিনি রাহুলকে তাদের জীবনধারায় অভ্যস্ত হওয়ার কঠিন চ্যালেঞ্জ দেন। রাহুল তা মোকাবেলা করে সফল হয় এবং পূজার বড়ভাইয়ের মনজয় করে নেয়। রাহুলের বাবাও রাহুলকে নিয়ে যেতে গ্রামে এসে তার ভালবাসার একাগ্রতা দেখে মনে মনে মেনে নেয়। কিন্তু মোনার বাবা কিছুতেই মেনে নেয়না। সে পূজাকে গ্রামেরই এক গুণ্ডাকে দিয়ে অপহরণ করায়। কিন্তু শেষে রাহুল সবাইকে বাঁচায়। গুণ্ডাকে সে মারতে গেলে তার জায়গায় পূজার বড়ভাই এসে মেরে ফেলে। ফলে তার জেল হয়। চলচ্চিত্রে দেখানো হয় যে তিনি জেল থেকে মুক্তির আগের দিন কারাগারের দ্বারবানকে এই সমস্ত কাহিনি বলছেন এবং তার ভাগ্নে/ভাগ্নির নাম ঠিক করছেন কারণ তিনি নিশ্চিত ছিলেন যে পূজা ও রাহুল-এর বিয়ে হয়ে গেছে। কিন্তু জেল থেকে বেরিয়ে তিনি দেখতে পান যে তারা বড়ভাইয়ের আশীর্বাদ পাবেনি দেখে বিয়ে করেনি। পরে পূজার বড়ভাই আশীর্বাদ করলে বিয়ে করবে বলে ঠিক করেছিল তারা। #